1 মিনিটে পড়ুন
ঢাকার আশুলিয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) অপহরণের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অপহরণের সঙ্গে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় এই অভিযান চালানো হয়। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) ঢাকা জেলা উত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম সানবি এবং তার সহযোগী নাজিম। তবে এই অপহরণ চক্রের মূল অভিযুক্ত শাকিল (২৩) এখনও পলাতক রয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী প্রতিদিন সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে যাতায়াত করত। বখাটে শাকিল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে আসা-যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত সোমবার সকাল আটটার দিকে মেয়েটিকে স্কুলে দিয়ে আসেন তার মা আরিফা আক্তার। পরে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে মেয়েকে আনতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, স্কুল গেটের সামনে থেকে বখাটে শাকিল ও তার সহযোগীরা অসৎ উদ্দেশ্যে মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর মা আরিফা আক্তার বাদী হয়ে মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে আশুলিয়ার মধুপুর এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে শাকিলকে প্রধান আসামি করা হয়। পুলিশ জানায়, মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় এই অপহরণের পেছনে এনসিপি নেতা তৌহিদুর ইসলাম সানবি ও নাজিমের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও ইন্ধনের বিষয়টি নিশ্চিত হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্রী অপহরণ মামলার তদন্তে এনসিপি নেতা সানবি ও নাজিমের সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে তাদের সরাসরি ইন্ধন ও সহযোগিতা প্রমাণিত হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক মূল অভিযুক্ত শাকিলকে গ্রেপ্তারে এবং ভুক্তভোগী ছাত্রীকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





