গ্রেপ্তার করে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়: পুলিশ পরিদর্শক, কায়সার আহমেদ

1 মিনিটে পড়ুন

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চরমান্দালিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেপ্তারের পর অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন রামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক কায়সার আহমেদ।

তিনি বলেছেন, শামীম নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা আটক করে পরে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। একই সঙ্গে সংবাদে তার নামে প্রকাশিত কিছু বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক বলে দাবি করেছেন তিনি।

পুলিশ পরিদর্শক কায়সার আহমেদ জানান, বুধবার (১২ আগস্ট) তিনি এবং রামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই কফিল উদ্দিন মোটরসাইকেলযোগে একটি বিশেষ অভিযান ও সিআর মামলার তদন্তের কাজে বের হন। পরে চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের মাস্টার বাড়ি রোডে পৌঁছালে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি হঠাৎ তার মোটরসাইকেল রেখে দৌড়ে পালিয়ে যান।

তিনি বলেন, পরে স্থানীয়ভাবে জানতে পারেন, ওই ব্যক্তির নাম শামীম এবং তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় সভাপতি। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি কেন দৌড়ে পালিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য তাদের জানা ছিল না।

কায়সার আহমেদ বলেন, তাকে গ্রেপ্তার বা আটক করে পরবর্তীতে ছেড়ে দেওয়ার যে অভিযোগ অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। বিশেষ করে তাকে গ্রেপ্তারের পর অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা স্বীকারোক্তি নেই।

তিনি আরও বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তার নামে যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো তিনি প্রদান করেননি। তার বক্তব্য বিকৃত বা মনগড়াভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সংবাদটি সংশোধন ও যথাযথভাবে প্রকাশের অনুরোধ জানান পুলিশ পরিদর্শক কায়সার আহমেদ।

শেয়ার করুন