১ মিনিটে পড়ুন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্মচারী সংসদের (রেজি. নং- ঢকা-১৫৮) ২১ সদস্যবিশিষ্ট নবগঠিত কার্যকরী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করেছে শ্রম অধিদপ্তর। নতুন এই কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অমরেশ মন্ডল রতন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াহিদ।
গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে গঠিত কমিটিটির বিষয়ে ২৭ অক্টোবর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন শ্রম অধিদপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করা হয়। শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত ওই পত্রে কমিটি নথিভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়নের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ১৬৬(৭) অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্মচারী সংসদের ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ পলাশ। সহ-সভাপতি হয়েছেন এইচ এম কাউসার আহমেদ ও সাইদুর রহমান। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম ও মোঃ ফরহান হোসেন।এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এ এস এম তৌফিকুর রহমান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোঃ আব্দুল খালেক। কোষাধ্যক্ষ আবুল কাশেম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিব এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ হোসাইন (অপু)। কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন প্রচার সম্পাদক জামাল হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনিসুজ্জামান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক বিনোদ চন্দ্র সরকার এবং ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ হানিফ। কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ রাহাত ও মোঃ ফিরোজাল মাহমুদ।
এদিকে, রতন-ওয়াহিদ নেতৃত্বে ২১ সদস্যের নবগঠিত কমিটি শ্রম অধিদপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারির পর গত ২৮ অক্টোবর বুধবার নবগঠিত কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম এবং নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খয়বুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ নিজেদের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সংগঠনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির বিষয়টি তুলে ধরেন। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং কর্মপরিবেশের উন্নয়নে সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে ডিএসসিসি কর্মচারী সংসদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার, পেশাগত মর্যাদা, কল্যাণ এবং কর্মক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নবগঠিত কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শ্রম অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক নথিভুক্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি হয়েছে। এখন কর্মচারীদের স্বার্থ ও কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করাই হবে নবগঠিত নেতৃত্বের সামনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।








