১ মিনিটে পড়ুন
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন প্রার্থী যখন মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ে ব্যস্ত, তখন মোস্তাফিজুর রহমান মামুনের প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,প্রভাবশালী পদে ছোট ভাইয়ের দাপটের অপেক্ষায় চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্নে বিমোড় প্রায়’ মামুন। এই নেতা তার ছোট ভাই মুসতাকুর রহমান, বর্তমানে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মোস্তাফিজুর রহমান মামুনকে বিভিন্ন স্থানে ব্যানার-ফেস্টুনে দেখা গেলেও মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ খুব একটা চোখে পড়ছে না। এমনকি তার রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশও নিয়মিতভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না—এমন অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে তার নাগরিকত্ব নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্বের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকত্বও গ্রহণ করেছেন—এমন দাবি বিভিন্ন মহল থেকে করা হলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি ও আইনগতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। বিদেশি নাগরিকত্ব থাকলে একজন ব্যক্তি বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত বাধার মুখে পড়বেন কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর জন্য শুধু পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে উপস্থিতি যথেষ্ট নয়; জনগণের পাশে থাকা, স্থানীয় সমস্যা জানা এবং নিয়মিতভাবে মাঠে থেকে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যিনি নির্বাচনের আগেই সাধারণ মানুষের কাছে নিয়মিতভাবে উপস্থিত থাকতে পারছেন না, তিনি নির্বাচিত হলে জনগণের সঙ্গে কতটা কার্যকর যোগাযোগ রাখবেন? উপজেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পেলে জনগণের সমস্যা সমাধানে তিনি কতটা সময় দিতে পারবেন—এ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান মামুনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে তার নাগরিকত্ব ও প্রার্থিতার আইনগত বৈধতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের বিষয়।









